কখন আমাদের রাজনীতিবিদদের সন্ত্রাসীদের ব্যাপারে বোধোদয় হবে? কখন তাঁরা মেনে নেবেন সন্ত্রাসীদের কোনো জাত-ধর্ম নেই? তারা হিন্দু, মুসলিম বা খ্রিষ্টান নয়, তারা স্রেফ অসুস্থ মানসিকতার লোক। আর তাদের কর্মকান্ডও তেমন।’ গত শুক্রবার বলিউড-তারকা আমির খান নিজের ব্লগে আক্ষেপ করে এসব কথা লেখেন। তাঁর ধারণা, মুম্বাইতে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে অনেক রাজনীতিবিদ নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করতে পারেন। এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলার নীতিতে অটল বুদ্ধিদীপ্ত তরুণ নেতাদের গতিশীল নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন তিনি।শুধু আমির খান নন, মুম্বাই হামলা নিয়ে বলিউডের সব তারকাই উদ্বিগ্ন। কারণ, মুম্বাইয়ের নাগরিক হিসেবে তাঁরাও এ ঘটনার বাইরে নন। ভিলে পার্লের বোমা হামলা থেকে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান বিপাশা বসু। মেয়েদের দুশ্চিন্তায় মূর্ছা যেতে বসেছিলেন হেমা মালিনী। এভাবে বলিউডের প্রত্যেক ব্যক্তিই এ হামলার ধাক্কায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়েছেন। আর ব্যক্ত করেছেন ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া। অমিতাভ বচ্চন তাঁর ব্লগে মন্তব্য করেন, ‘মুম্বাইয়ে সন্ত্রাসী হামলা! ভয়াবহ! ভয়াবহ এ পরিস্িথতি!’ শর্মিলা ঠাকুর বলেন, ‘মুম্বাইয়ে যা ঘটছে, দেখে মনে হচ্ছে না খুব শিগগির এসব সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের অবসান ঘটবে।’ হেমা মালিনী বলেন, ‘মুম্বাই এত অনিরাপদ এক নগরে পরিণত হয়েছে, সত্যিই তা দুঃখের বিষয়।’ শাবানা আজমি বলেন, ‘লন্ডনপ্রবাসী এক বন্ধুর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলছিলাম। সে আমাকে টিভি চালু করতে বলে। তারপর দেখি এক পৈশাচিক যুদ্ধ।’ অর্জুন রামপাল বলেন, ‘মুম্বাইয়ে যা ঘটছে তা অদ্ভুত আর অযৌক্তিক। আড়ালে গিয়ে রাজনীতিবিদদের মুখ লুকানো উচিত।’ রাভিনা ট্যান্ডন বলেন, ‘দক্ষিণ মুম্বাইয়ে এক রেস্তোরাঁয় রাতের খাবার খাচ্ছিলাম। এমন সময় ফোনে শিগগির বাড়ি ফেরার তাড়া পেলাম। শুরুতে পাত্তা দিইনি। পরে পুলিশ এসে আমাদের দ্রুত বাড়ি ফেরার পরামর্শ দেয়।’ এভাবে বিপাশা বসু, বিশাল ভরদ্বাজ, শিল্পা শেঠি, আরশাদ ওয়ারসি, সেলিনা জেটলি, ইকবাল খান, জাভেদ জাফরি প্রমুখ তারকা মুম্বাই হামলার ব্যাপারে তাঁদের প্রতিক্রিয়া জানান। ওয়েবসাইট।
প্রকাশতি : দৈনিক প্রথম আলো, রোববার, ৩০ নভেম্বর ২০০৮.






