মেহরীনের ষষ্ঠ অ্যালবামের নাম ‘তুমি আছো বলে’। এই অ্যালবামটি বাজারে এনেছে লেজার ভিশন। অ্যালবামের প্রসঙ্গ নিয়েই কথা হলো মেহরীনের সঙ্গে।

নতুন অ্যালবামের গানগুলো নিয়ে কিছু বলুন।
আমি সাধারণত পপ কিংবা রক ধাঁচের গান করতে পছন্দ করি। এবার আমি তা থেকে একটু সরে এসেছি। একটু মেলোডি-নির্ভর গান করেছি। সব কটি গানের কথা ও সুর চমৎকার। তাই মন দিয়ে গান করার চেষ্টা করেছি। বলতে পারেন, এর সঙ্গে আমার অনেক আবেগ জড়িয়ে আছে। শ্রোতারা আমার যে ধরনের গান শুনে অভ্যস্ত, এবার কিন্তু তাঁরা আমাকে নতুনভাবে পাবেন।

সেই নতুনত্বটা কী ররকম?
এখানে আমার কন্ঠটাকে সঠিকভাবে ব্যবহার করেছি। আসলে আমি যে ধরনের গান গাইতে চাই, সুরকারদের আগে থেকেই তা জানিয়ে দিয়েছিলাম। আর তাঁরাও আমার দিকটা খেয়াল রেখেছেন। তাই আমি বলব, এখানে শ্রোতারা মেহরীনের মতো করেই মেহরীনকে পাবে।

হাবিবের সঙ্গে আপনার একটি পুরো অ্যালবাম করার কথা শোনা যায়।
আমার খুব ইচ্ছা ছিল, কিন্তু ওটা শেষ পর্যন্ত হয়নি। এর আগে হাবিবের সঙ্গে দুটি গান গেয়েছিলাম। ‘চ্যানেল আই-সিটিসেল সংগীত পুরস্কার’-এর সুচনাসংগীতটি আমরা দুজন গেয়েছিলাম। বন্যার সময়ও আরেকটি গানে আমরা দুজন কন্ঠ দিয়েছিলাম। আমার এই অ্যালবামে হাবিবের করা দুটি নতুন গান গেয়েছি। দুটিই তাঁর লেখা ও সুর করা। অন্য যাঁরা গান লিখেছেন তাঁরা হলেন: সাকী আহমেদ, উপল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম দীপন ও শাহান কবন্ধ। সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন ফুয়াদ আল মুক্তাদীর, ফুয়াদ ইবনে রাব্বি, জাহাঙ্গীর হায়দার দীপন ও বোম্বের ডিজে আক্স।

ফুয়াদ আল মুক্তাদীর আপনার জন্য কী গান করেছেন?
আমার প্রথম অ্যালবামের ‘আনাড়ি’ গানটি এবার ফুয়াদ রিমিক্স করেছে। গানটা আমার তো খুব পছন্দের, আর ফুয়াদও গানটি রিমেক করতে চেয়েছে। আমি রাজি হয়ে গেলাম। এ ছাড়া ফুয়াদ আমার জন্য আরও তিনটি গান করেছে।

ক্লাব মিউজিকে আগ্রহী হলেন কেন?
দেখুন, মুম্বাইতে একটি গান জনপ্রিয় হলেই রাতারাতি ওটার ‘ক্লাব মিউজিক ভার্সন’ বেরিয়ে যায়। এ ধরনের গান তরুণদের দারুণ পছন্দ। এবার ওদের কথাও ভেবেছি। এর আগে জনপ্রিয় হওয়া আমার ‘কারচুপি’ ও ‘একি আলোয় রাঙালে’ এবং নতুন গান ‘মায়াবী এই রাত’ ক্লাব মিউজিক করেছি।

প্রকাশতি : দৈনিক প্রথম আলো, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০০৮.