এই মুহূর্তে বলিউডের অন্যতম আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন তারকা ঐশ্বরিয়া রাই। সম্প্রতি লোকসভা নির্বাচনে সমাজবাদী পার্টি থেকে তার প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার খবর শোনা যাচ্ছে। এই হিসেবে দেশেও তিনি দারুণভাবে আলোচিত হচ্ছেন। সম্প্রতি তিনি ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব ‘পদ্মশ্রী’তে ভূষিত হয়েছেন। এছাড়া কিছুদিন আগে ফ্রান্সের উচ্চতর একটি সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন ঐশ্বরিয়া। এর আগে এই পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন শাহরুখ খান। কিন্তু এত বড় সম্মান-প্রাপ্তির পরও তা গ্রহণ করতে পারছেন না ঐশ্বরিরা। কারণ পরিবারের সদস্যদের ছাড়া এই বিরাট পুরস্কার গ্রহণ করতে চাচ্ছেন না তিনি। ঐশ্বরিয়া বলেছেন, ‘আমি চাই আমার মা-বাবা, ভাই, দুলাভাই, স্বামী এবং তার মা-বাবা, বোন, বোন-জামাই সবাইকে সঙ্গে নিয়ে পুরস্কার গ্রহণ করতে। আমার বাবা এই মুহূর্তে অসুস্থ। আমি চাই পুরস্কার নেয়ার স্মরণীয় মুহূর্তে তিনি আমার পাশে থাকুন।’ এদিকে গতকাল মুক্তি পেয়েছে ঐশ্বরিয়া অভিনীত ছবি ‘দ্যা পিঙ্ক প্যান্থার-২’।
বলিউডের ছবিতে ধূমপানের দৃশ্য দেখানোতে আর বাধা থাকবেনা। ইতিপূর্বে চলচ্চিত্রের দৃশ্যে ধূমপান দেখানোর উপর সরকার যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল তা স্থগিত করে দিল্লী হাইকোর্ট। আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, ধূমপান বাস্তবতার একটি অংশ। এটা কখনোই কারো কাম্য নয়। কিন্তু তারপরও এর অস্তিত্ব রয়েছে। আর চলচ্চিত্র হচ্ছে বাস্তবেরই প্রতিফলন। সমাজের অন্যান্য অসঙ্গতি যেভাবে চলচ্চিত্রে ফুটে উঠে সেভাবেই চলচ্চিত্রেও ধূমপান দেখানোতে কোনো প্রকার বিধি নিষেধ থাকা ঠিক নয়। ধূমপানের দৃশ্যে নিষেধাজ্ঞা মানে হচ্ছে সৃজনশীলতার উপরে হস্তক্ষেপ। তবে বিভিন্ন ছবিতে অতিমাত্রায় ধূমপানকে গ্ল্যামারাইজড করার অভিযোগে ২০০৫ সালে পর্দায় ধূমপানের দৃশ্য দেখানো নিষিদ্ধ করা হয়। এতে চলচ্চিত্র নির্মাতাদের অনেকের মধ্যেই অসন্তোষ বিরাজ করেছে। বলিউড নির্মাতা মহেশ ভাট হাইকোর্টে এর বিরুদ্ধে পিটিশন দাখিল করেছে। এরই ফলশ্রুতিতে চলচ্চিত্রে ধূমপানের দৃশ্য দেখানো উপরে নিষেধাজ্ঞা রহিত করে আদালত।
সৌজন্যে : দৈনিক ইত্তেফাক
২০০৮ সালের শেল্টেক্ পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন দেশের দুই বরেণ্য কন্ঠশিল্পী রুনা লায়লা ও সাবিনা ইয়াসমীন। ১৯৯৮ সাল থেকে এ পদক দেওয়া হচ্ছে। দেশের গুণীজনদের সম্মান জানাতে শেল্টেক্ এই পদকের প্রবর্তন করে। প্রতিটি শেল্টেক্ পদকের মূল্যমান একটি সম্মাননা পদক ও নগদ এক লাখ টাকা। পদকপ্রাপ্তির প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে রুনা লায়লা বলেন, "অনেক দিন আগেই চিঠির মাধ্যমে আমাকে জানানো হয়েছিল, এই পদক আমাকে তারা দিতে চায়। আমি জেনেছি, ইতিমধ্যে এ পদকে যাঁরা ভুষিত হয়েছেন, তাঁরা প্রত্যেকেই গুণীজন। তাঁদের পাশাপাশি আমার নামটি সংযুক্ত হওয়ায় বেশ ভালো লাগছে।" সাবিনা ইয়াসমীন দেশের বাইরে থাকায় তাঁর প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। ২০০৯ সালের মার্চের শেষ সপ্তাহে আনুষ্ঠানিকভাবে দুই বরেণ্য শিল্পীর হাতে এ পদক ও টাকা তুলে দেওয়া হবে।
প্রকাশতি : দৈনিক প্রথম আলো, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০০৯.
গজিনি ছবিতে আমির খানের সঙ্গে অভিনয়ের মাধ্যমে দক্ষিণী অভিনেত্রী অসিনের বলিউড যাত্রা শুরু হলো। শুরুটা ভালোই হয়েছে। বলিউড তাঁকে সাদরে বরণ করে নিয়েছে। এ জন্য আজকাল তাঁর মেজাজও খুব ফুরফুরে। এবার তাঁকে দেখা যাবে বিপুল শাহের লন্ডন ড্রিমস ছবিতে। এ ছবিতেও সালমান খান ও অজয় দেবগনের মতো বড় দুই তারকাকে সঙ্গে পাচ্ছেন তিনি। অসিন বলেন, "গজিনি ছবিতে কাজ করার সময়ই লন্ডন ড্রিমস ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব আসে। জানি না, কীভাবে তাঁরা আমাকে খুঁজে পেলেন। এ ছবির লম্বা শুটিং ছিল বিদেশে। এখনো কিছু কাজ বাকি। বলিউড আমাকে যে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছে, তা এখন ভালো করেই অনুভব করছি।" এদিকে গজিনি ছবির বিশাল সাফল্যের পর পরিচালক এ আর মুরুগাদোস এখন দ্বিতীয় ছবির কাজ শুরু করার জন্য প্রস্তুত। তবে এ ব্যাপারে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি। ওয়েবসাইট।
প্রকাশতি : দৈনিক প্রথম আলো, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০০৯.






